Associate Professor, Department of Radiation Oncology
National Institute of Cancer Research & Hospital (NICRH), Dhaka
অভিজ্ঞ ক্যান্সার বিশেষজ্ঞ

স্তন ক্যান্সার স্ক্রিনিং (Mammography)

সংক্ষেপে জানুন:

স্তন ক্যান্সার প্রাথমিক পর্যায়ে শনাক্ত করা গেলে সম্পূর্ণ নিরাময় সম্ভব। স্ক্রিনিং পরীক্ষার মাধ্যমে লক্ষণ প্রকাশের আগেই রোগ ধরা যায়। নিয়মিত স্ক্রিনিংয়ের মাধ্যমে অনেক ক্ষেত্রে ক্যান্সার হওয়ার আগেই পরিবর্তন ধরা পড়ে, যা রোগ প্রতিরোধ ও দ্রুত চিকিৎসা শুরু করতে সাহায্য করে।

ম্যামোগ্রাফি কী?

ম্যামোগ্রাফি হলো স্তনের একটি এক্স-রে পরীক্ষা যা ছোট টিউমার বা অস্বাভাবিক পরিবর্তন শনাক্ত করতে সাহায্য করে।

কখন স্ক্রিনিং করা উচিত?

কেন স্ক্রিনিং গুরুত্বপূর্ণ?

লক্ষণ না থাকলেও কি পরীক্ষা দরকার?

হ্যাঁ, কারণ অনেক ক্ষেত্রে প্রাথমিক পর্যায়ে কোনো লক্ষণ থাকে না। তবে যদি স্তন ক্যান্সারের লক্ষণ দেখা দেয় বা স্তনে গাঁট বা চাকা অনুভব হয়, তাহলে দ্রুত স্ক্রিনিং করা অত্যন্ত জরুরি।

স্ক্রিনিংয়ের মাধ্যমে রোগ শনাক্ত হলে পরবর্তী ধাপ হলো স্টেজ অনুযায়ী চিকিৎসা পরিকল্পনা, যেখানে রোগের ধরন অনুযায়ী সার্জারি, কেমোথেরাপি বা রেডিওথেরাপি নির্ধারণ করা হয়।

চিকিৎসার সময় অনেক রোগীর মনে কেমোথেরাপির পার্শ্বপ্রতিক্রিয়া নিয়ে উদ্বেগ থাকে, যা সঠিক চিকিৎসা ও গাইডলাইনের মাধ্যমে নিয়ন্ত্রণযোগ্য।

👉 স্তন ক্যান্সারের চিকিৎসা সম্পর্কে বিস্তারিত জানুন

সাধারণ প্রশ্ন

ম্যামোগ্রাফি কী?

এটি একটি এক্স-রে পরীক্ষা যা স্তনের পরিবর্তন শনাক্ত করে।

কখন ম্যামোগ্রাফি করা উচিত?

৪০ বছরের পর নিয়মিত করা উচিত।

লক্ষণ না থাকলেও কি স্ক্রিনিং দরকার?

হ্যাঁ, নিয়মিত করা জরুরি।

ম্যামোগ্রাফি কি ব্যথাদায়ক?

সামান্য অস্বস্তি হতে পারে।

কতদিন পরপর স্ক্রিনিং করা উচিত?

১–২ বছর পরপর (ঝুঁকি অনুযায়ী পরিবর্তিত হতে পারে)।

গাঁট বা চাকা থাকলে কি ম্যামোগ্রাফি প্রয়োজন?

হ্যাঁ, গাঁট বা চাকা থাকলে দ্রুত পরীক্ষা করা উচিত। চিকিৎসা ধাপ সম্পর্কে বিস্তারিত জানতে দেখুন স্তন ক্যান্সারের স্টেজ অনুযায়ী চিকিৎসা

👉 ঢাকার অন্যতম ক্যান্সার বিশেষজ্ঞ ডাঃ রুবিনা সুলতানা
👉 চেম্বার ও অ্যাপয়েন্টমেন্ট তথ্য