Associate Professor, Department of Radiation Oncology
National Institute of Cancer Research & Hospital (NICRH), Dhaka
অভিজ্ঞ ক্যান্সার বিশেষজ্ঞ

জরায়ুমুখের ক্যান্সার স্ক্রিনিং (Pap Smear ও HPV Test)

সংক্ষেপে জানুন:

জরায়ুমুখের ক্যান্সার এমন একটি রোগ যা প্রাথমিক পর্যায়ে শনাক্ত করলে সম্পূর্ণ প্রতিরোধযোগ্য। স্ক্রিনিং এর মাধ্যমে ক্যান্সার হওয়ার আগেই কোষের পরিবর্তন ধরা সম্ভব।

নিয়মিত স্ক্রিনিংয়ের মাধ্যমে অনেক ক্ষেত্রে ক্যান্সার হওয়ার আগেই রোগ প্রতিরোধ করা যায় এবং রোগীর দীর্ঘমেয়াদি সুস্থতা নিশ্চিত করা সম্ভব।

Pap smear কী?

Pap smear একটি সহজ পরীক্ষা যেখানে জরায়ুমুখ থেকে কোষ সংগ্রহ করে মাইক্রোস্কোপে পরীক্ষা করা হয়। এর মাধ্যমে প্রি-ক্যান্সার পরিবর্তন ধরা পড়ে।

HPV test কী?

HPV (Human Papillomavirus) হলো জরায়ুমুখের ক্যান্সারের প্রধান কারণ। এই টেস্টের মাধ্যমে ভাইরাসের উপস্থিতি শনাক্ত করা হয়।

কখন স্ক্রিনিং করা উচিত?

কেন স্ক্রিনিং গুরুত্বপূর্ণ?

লক্ষণ না থাকলেও কি পরীক্ষা দরকার?

হ্যাঁ, কারণ প্রাথমিক পর্যায়ে কোনো লক্ষণ নাও থাকতে পারে। তবে যদি জরায়ুমুখের ক্যান্সারের লক্ষণ যেমন অস্বাভাবিক রক্তপাত বা স্রাব দেখা দেয়, তাহলে দ্রুত পরীক্ষা করা জরুরি।

স্ক্রিনিংয়ের মাধ্যমে রোগ শনাক্ত হলে পরবর্তী ধাপ হলো স্টেজ অনুযায়ী চিকিৎসা পরিকল্পনা, যেখানে রোগের পর্যায় অনুযায়ী চিকিৎসা নির্ধারণ করা হয়।

চিকিৎসার সময় অনেক রোগীর মনে রেডিওথেরাপির পার্শ্বপ্রতিক্রিয়া নিয়ে উদ্বেগ থাকে, তবে আধুনিক চিকিৎসায় এগুলো অধিকাংশ ক্ষেত্রে নিয়ন্ত্রণযোগ্য।

👉 জরায়ুমুখের ক্যান্সারের চিকিৎসা সম্পর্কে বিস্তারিত জানুন

সাধারণ প্রশ্ন

Pap smear কী?

এটি একটি স্ক্রিনিং টেস্ট যা কোষের পরিবর্তন শনাক্ত করে।

HPV test কী?

এটি HPV ভাইরাস শনাক্ত করার পরীক্ষা।

কখন স্ক্রিনিং করা উচিত?

২১ বছর বয়সের পর শুরু করা উচিত।

Pap smear কি ব্যথাদায়ক?

না, সাধারণত ব্যথাহীন।

লক্ষণ না থাকলেও কি পরীক্ষা দরকার?

হ্যাঁ, নিয়মিত করা জরুরি।

কতদিন পরপর পরীক্ষা করা উচিত?

সাধারণত ৩–৫ বছর পরপর (ঝুঁকি অনুযায়ী পরিবর্তিত হতে পারে)। বিস্তারিত চিকিৎসা ধাপ জানতে দেখুন জরায়ুমুখের ক্যান্সারের স্টেজ অনুযায়ী চিকিৎসা

👉 ঢাকার অন্যতম ক্যান্সার বিশেষজ্ঞ ডাঃ রুবিনা সুলতানা
👉 চেম্বার ও অ্যাপয়েন্টমেন্ট তথ্য