আরও দেখুন: ব্রেস্ট ক্যান্সার বিশেষজ্ঞ · জরায়ু ক্যান্সার বিশেষজ্ঞ · নারী ক্যান্সার বিশেষজ্ঞ · কেমোথেরাপি বিশেষজ্ঞ
বেনাইন ও ম্যালিগন্যান্ট টিউমারের আধুনিক চিকিৎসা
টিউমার হলে একজন অনকোলজিস্ট (ক্যান্সার বিশেষজ্ঞ) ডাক্তারের পরামর্শ নেওয়া উচিত। অনকোলজিস্ট প্রয়োজনীয় পরীক্ষা-নিরীক্ষা, যেমন FNAC, বায়োপসি, হিস্টোপ্যাথলজি এবং প্রয়োজন হলে বিভিন্ন ইমেজিং পরীক্ষার মাধ্যমে নির্ধারণ করেন টিউমারটি বেনাইন (নিরীহ) নাকি ম্যালিগন্যান্ট (ক্যান্সার)। এরপর রোগের ধরন, স্টেজ এবং রোগীর সামগ্রিক শারীরিক অবস্থার ভিত্তিতে কেমোথেরাপি, টার্গেটেড থেরাপি, ইমিউনোথেরাপি, রেডিওথেরাপি অথবা অন্যান্য উপযুক্ত চিকিৎসা পরিকল্পনা নির্ধারণ করেন।
ঢাকার একজন অভিজ্ঞ ক্যান্সার ও টিউমার বিশেষজ্ঞ হিসেবে ডাঃ রুবিনা সুলতানা আধুনিক ক্যান্সার চিকিৎসায় কেমোথেরাপি, টার্গেটেড থেরাপি, ইমিউনোথেরাপি এবং উন্নত রেডিওথেরাপি প্রযুক্তি 3D-CRT, IMRT, VMAT, IGRT, SBRT ও ব্র্যাকিথেরাপি ব্যবহার করে আন্তর্জাতিক গাইডলাইন-ভিত্তিক (Evidence-Based) চিকিৎসা প্রদান করেন। তিনি ব্রেস্ট টিউমার ও ক্যান্সার, জরায়ু ও সার্ভিক্সের টিউমার ও ক্যান্সার, ওভেরিয়ান ও অন্যান্য গাইনোকোলজিক্যাল টিউমার, হেড-এন্ড-নেক ক্যান্সার, ব্রেইন টিউমার এবং গ্যাস্ট্রোইনটেস্টিনাল (GI) টিউমারসহ বিভিন্ন ধরনের টিউমারের চিকিৎসা পরিকল্পনায় দক্ষ।
অভিজ্ঞ ক্যান্সার ও টিউমার বিশেষজ্ঞ হিসেবে তিনি সঠিক রোগ নির্ণয়, ক্যান্সারের স্টেজিং এবং রোগীর সামগ্রিক শারীরিক অবস্থার মূল্যায়নের মাধ্যমে রোগীকেন্দ্রিক (Personalized) চিকিৎসা পরিকল্পনা তৈরি করেন। প্রয়োজনে কিউরেটিভ চিকিৎসা (Curative Intent) এবং প্যালিয়েটিভ কেয়ার (Palliative Care) প্রদান করে রোগীর জীবনমান উন্নত ও সর্বোচ্চ চিকিৎসা-সুবিধা নিশ্চিত করার চেষ্টা করেন।
শরীরে অস্বাভাবিক গিঁট বা ফোলা, দীর্ঘস্থায়ী ব্যথা, অজানা কারণে ওজন কমে যাওয়া অথবা বায়োপসিতে টিউমার শনাক্ত হলে দ্রুত একজন টিউমার ও ক্যান্সার বিশেষজ্ঞ ডাক্তারের পরামর্শ নেওয়া উচিত। প্রাথমিক পর্যায়ে টিউমার শনাক্ত ও চিকিৎসা শুরু করলে অনেক ক্ষেত্রেই রোগ নিরাময় এবং দীর্ঘমেয়াদি রোগ নিয়ন্ত্রণের সম্ভাবনা উল্লেখযোগ্যভাবে বৃদ্ধি পায়।
যোগ্যতা
- MBBS – চট্টগ্রাম মেডিকেল কলেজ (CMC)
- BCS (Health)
- FCPS (Radiotherapy) – BCPS
- IAEA-সার্টিফাইড – Radiotherapy & Brachytherapy
- সহযোগী অধ্যাপক – জাতীয় ক্যান্সার গবেষণা ইনস্টিটিউট ও হাসপাতাল, ঢাকা
- সদস্য – ASCO, AMSTRO, BSRO
- BMDC রেজিস্ট্রেশন নং – A-36764
বিশেষজ্ঞতা
- টিউমার নির্ণয়, স্টেজিং এবং পার্সোনালাইজড চিকিৎসা পরিকল্পনা
- বেনাইন ও ম্যালিগন্যান্ট টিউমার ব্যবস্থাপনা এবং উপসর্গ নিয়ন্ত্রণ
- কেমোথেরাপি, টার্গেটেড থেরাপি এবং ইমিউনোথেরাপি সহ আধুনিক ক্যান্সার চিকিৎসা
- উন্নত রেডিওথেরাপি প্রযুক্তি: 3D-CRT, IMRT, VMAT, IGRT এবং SBRT
- ব্র্যাকিথেরাপি ভিত্তিক চিকিৎসা, বিশেষত সার্ভিক্যাল ও গাইনোকোলজিক্যাল টিউমার ও ক্যান্সারের ক্ষেত্রে
- ব্রেস্ট টিউমার ও ক্যান্সার, জরায়ু ও সার্ভিক্সের টিউমার ও ক্যান্সার, ওভেরিয়ান ও গাইনোকোলজিক্যাল টিউমার ও ক্যান্সার, হেড-এন্ড-নেক, ব্রেইন এবং গ্যাস্ট্রোইনটেস্টাইনাল টিউমার ও ক্যান্সার চিকিৎসা
- বহুশাখা (Multidisciplinary) টিউমার বোর্ডের মাধ্যমে চিকিৎসা সিদ্ধান্ত এবং ফলো-আপ কেয়ার
স্বীকৃত স্বাস্থ্য পোর্টালে প্রোফাইলসমূহ
ভেরিফাইড রোগীর রিভিউ
টিভি প্রোগ্রামসমূহ
বিভিন্ন টিভি চ্যানেলে ক্যান্সার সংক্রান্ত প্রোগ্রামসমূহ দেখুন
গবেষণা ও প্রকাশনা
❓ সাধারণ প্রশ্নোত্তর
ঢাকার সেরা টিউমার বিশেষজ্ঞ কে?
ডাঃ রুবিনা সুলতানা ২২ বছরেরও বেশি ক্লিনিক্যাল অভিজ্ঞতাসম্পন্ন একজন ক্লিনিক্যাল ও রেডিয়েশন অনকোলজিস্ট এবং জাতীয় ক্যান্সার গবেষণা ইনস্টিটিউট ও হাসপাতালের (NICRH) সহযোগী অধ্যাপক। তিনি ঢাকার অন্যতম অভিজ্ঞ টিউমার ও ক্যান্সার বিশেষজ্ঞ, যিনি কেমোথেরাপি, রেডিওথেরাপি, ব্র্যাকিথেরাপি, টার্গেটেড থেরাপি ও ইমিউনোথেরাপির মাধ্যমে আন্তর্জাতিক গাইডলাইন-ভিত্তিক (Evidence-Based) ক্যান্সার চিকিৎসা প্রদান করেন।
টিউমার হলে কোন ডাক্তার দেখাবো?
টিউমার দেখা দিলে প্রথমেই একজন ক্যান্সার বিশেষজ্ঞ (অনকোলজিস্ট)-এর পরামর্শ নেওয়া উচিত। তিনি পরীক্ষা-নিরীক্ষা করে নির্ধারণ করবেন টিউমারটি ক্যান্সারজনিত কিনা এবং প্রয়োজন অনুযায়ী কেমোথেরাপি, রেডিয়েশন থেরাপি বা সার্জারির পরামর্শ দিবেন। তাই টিউমার দেখা দিলে দেরি না করে ক্যান্সার বিশেষজ্ঞের কাছে যাওয়া উচিত।
কখন টিউমার বিশেষজ্ঞের কাছে যাওয়া উচিত?
শরীরে অস্বাভাবিক ফোলা বা গিঁট, দীর্ঘদিনের ব্যথা, দ্রুত ওজন কমে যাওয়া অথবা সন্দেহজনক কোনো উপসর্গ দেখা দিলে দ্রুত টিউমার বিশেষজ্ঞের কাছে যাওয়া উচিত।
বেনাইন ও ম্যালিগন্যান্ট টিউমারের পার্থক্য কী?
বেনাইন (নিরীহ) টিউমার সাধারণত ধীরে বৃদ্ধি পায়, আশেপাশের টিস্যুতে আক্রমণ করে না এবং শরীরের অন্য অংশে ছড়িয়ে পড়ে না। অন্যদিকে ম্যালিগন্যান্ট (ক্যান্সার) টিউমার দ্রুত বৃদ্ধি পেতে পারে, আশেপাশের টিস্যুতে ছড়িয়ে পড়তে পারে এবং রক্ত বা লিম্ফের মাধ্যমে শরীরের অন্যান্য অঙ্গে ছড়িয়ে যেতে পারে (মেটাস্টাসিস)। শুধুমাত্র পরীক্ষা-নিরীক্ষা, যেমন FNAC, বায়োপসি ও হিস্টোপ্যাথলজির মাধ্যমে নিশ্চিতভাবে নির্ধারণ করা যায় টিউমারটি বেনাইন নাকি ম্যালিগন্যান্ট।
টিউমার কি সবসময় ক্যান্সার?
না। সব টিউমার ক্যান্সার নয়। টিউমার দুই ধরনের হতে পারে—বেনাইন (নিরীহ) এবং ম্যালিগন্যান্ট (ক্যান্সার)। শুধুমাত্র টিউমারের উপস্থিতি দেখে এটি ক্যান্সার কিনা নিশ্চিত হওয়া যায় না। প্রয়োজনীয় পরীক্ষা-নিরীক্ষা, যেমন FNAC, বায়োপসি, হিস্টোপ্যাথলজি এবং প্রয়োজনে ইমেজিং পরীক্ষার মাধ্যমে টিউমারের প্রকৃতি নির্ণয় করা হয়। তাই শরীরে কোনো অস্বাভাবিক গিঁট বা ফোলা দেখা দিলে দেরি না করে একজন টিউমার বিশেষজ্ঞ (অনকোলজিস্ট) ডাক্তারের পরামর্শ নেওয়া উচিত।
টিউমারে কি সব সময় সার্জারি দরকার হয়?
সবসময় নয়। অনেক ক্ষেত্রে টিউমারের ধরন, অবস্থান ও স্টেজ অনুযায়ী রেডিয়েশন থেরাপি, কেমোথেরাপি, টার্গেটেড থেরাপি বা অন্যান্য আধুনিক চিকিৎসার মাধ্যমেও সফলভাবে টিউমার নিয়ন্ত্রণ বা চিকিৎসা করা সম্ভব। সার্জারির প্রয়োজন হবে কিনা, তা রোগীর অবস্থা মূল্যায়নের পর বিশেষজ্ঞ চিকিৎসক নির্ধারণ করেন।